Home  » Health Advisor  » Homeopathy  »Listing #8643
Please Contact

Bioplasgen® No. 26 for Easy Parturition (নরমাল ডেলিভারীতে সহায়ক)

Posted Sep 11, 2020 | Visits: 6831
Country: Bangladesh
Region: Dhaka
Location: Jatrabari
Area: Kutubkhali
Zip Code: 1204

নরমাল ডেলিভারীতে সহায়ক

Compositions: 1 tablet contains:
-----------------------------------------------
Magnesium phosphoricum 3X 25 mg;
Calcium phosphoricum 3X 25 mg;
Kalium phosphoricum 3X 25 mg;
Calcium fluoratum 3X 25 mg;
Excipients Q.S. to 104 mg.

Indications:
-----------------
Traditionally used to support easy childbirth. If taken throughout the entire pregnancy, these tablets will greatly relieve labour pains. They also promote the mother’s general state of health and assist in the development and health of the child. They may also prevent miscarriage.

কার্যকারীতাঃ
-----------------
সহজ প্রসব (Easy Parturition) রোগের লক্ষণ সাদৃশ্যে এবং বায়োকেমিক চিকিৎসার মূল সূত্রানুসারে উপরোক্ত বায়োকেমিক ঔষধগুলির সঠিক শক্তি ও মাত্রার মিশ্রন Bioplasgen® No. 26 প্রয়োগে বিশেষভাবে ফলপ্রদ। ইহা গর্ভবতী মহিলাদের সহজভাবে প্রসব করতে সাহায্য করে। গর্ভকালীন সময়ের শুরু দ্বিতীয় (২য়) মাস থেকে ইহা সেবন করলে ব্যথা বিহীন প্রসব হয়। তাছাড়াও ইহা মায়ের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য গঠনে সাহায্য করে।

সেবন বিধিঃ
----------------
গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম মাস থেকে শুরু করলে প্রতিবারে ৪টি করে ট্যাবলেট দিনে ৩ বার । অন্যদিকে
গর্ভবতী প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের দ্বিতীয় মাস থেকে শুরু করলে প্রতিবারে ৪টি করে ট্যাবলেট মিনিমাম ৩ ঘন্টা প্রতি বিরতিতে দিনে ৪ বার খাবারের আধা ঘন্টা আগে বা তার পরে তবে খাবারের পর হলে ভাল বায়োপ্লাজেন 26 নং (Made in Germany) ট্যাবলেটগুলি গ্রহণ করুন এবং হালকা কুসুম গরম পানি বা কুসুম গরম দুধ মুখে নিয়ে ট্যাবলেটগুলো ধীরে ধীরে দ্রবীভূত হওয়ার অনুমতি দিন। অথবা
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে শতকরা ৭৫ জন মহিলা গর্ভাবস্থায় রক্ত স্বল্পতায় ভোগে থাকেন এবং প্রসবকালীন শিশুমৃত্যুর শতকরা ২৫ ভাগ ঘটে থাকে শুধুমাত্র আয়রণের অভাবজনিত কারণে। গর্ভাবস্থায় মায়েদের রক্তশূন্যতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রথম তিন মাসের পর থেকে নিয়মিত আয়রন ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। Ferrum phosphoricum 6X (Homoeopathic Medicine) 20 g tablets, Biochemic Remedy, (Made in Germany), Dr. Willmar Schwabe KARLSRUHE, ৪টি ট্যাবলেট করে ৩বার।

গর্ভাবস্থায় ৫ম বা ৬ষ্ঠ মাস থেকে (Made in Germany) Pulsatilla - 200, বাচ্চার অবস্থা স্বাভাবিক এবং মা সন্তানের জন্য উপযোগি হয়ে উঠবে। Bioplasgen® No. 26 শুরু থেকে খেলে প্রয়োজন নেই।


উপরোক্ত ঔষধ সেবনের মধ্য দিয়ে বাচ্চা স্বাভাবিক নরমাল সুস্থভাবে ডেলিভারী হবে। অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ এর মধ্যে শুধু টিটেনাস এর টিকা দিবেন। এর জন্য মাতৃসদনে ২য়/৩য়/৪র্থ মাসে ভর্তি হওয়া থাকলে ভাল। যাতে সেখানে নরমাল ডেলিভারীর কাজটি সেরে ফেলা যায়।


নরমাল বা প্রাকৃতিক ডেলিভারীর জন্য করনীয়ঃ
=====================================

১. গর্ববতী মায়ের তীব্র ব্যথা শুরু হলে, আল্লাহ্ তায়ালার উপর ভরসা করে প্রথমে ভাল করে ওযু করে পবিত্র অবস্থায় একটি বোতলে বিশুদ্ধ পানি নিয়ে সূরা ফাতেহা একবার, তারপর (৮৪ নং সূরা) সূরা ইন্শিক্বাক্ব এর প্রথম চারটি আয়াত তিনবার, তারপর দূরূদ শরীফ একবার পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে, সেই পানি ডেলিভারীর সময় গর্বাবস্থায় গর্ববতী কে খাওয়াতে হবে।

☞ ব্যাথা উঠলে সূরা-ইন্শিক্বাক্ব পড়ে পানিতে ফুক দিয়ে পান করলে ব্যথা কমে যাবে।

ইন্-শা-আল্লাহ্, আল্লাহ্ এর অশেষ রহমতে আছান হবে।

২. গর্ববতী মায়ের তীব্র ব্যথা শুরু হলে, সন্তান দ্রুত ডেলিভারীর হওয়ার জন্য আল্লাহ্ তায়ালার উপর ভরসা করে (৩৬ নং সূরা) সূরা ইয়াছিন (একবার) পাঠ করতে হবে। যে কোন ব্যক্তি পুরুষ বা মহিলা অজু করে পবিত্র অবস্থায় শুদ্ধ করে পড়তে হবে।

ইন্-শা-আল্লাহ্, আল্লাহ্ এর অশেষ রহমতে আছান হবে।


ডেলিভারীর সময় ব্যথা উঠার পর (Made in Germany) Caulophyllum - 200 বা 1m শক্তির। ১৫ বা ২০ মিনিট পরপর ঘন ঘন প্রয়োগ করার মাধ্যমে জরায়ু সংকোচন প্রসারন এর পরিমান বাড়াবে, ফলে উপযোগী করে তুলবে। স্বাভাবিক প্রসব দানে সহায়তা করবে। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন।

অথবা অন্যদিকে,

কলোফাইলাম (Caulophyllum) গর্ভপাতেরও (abortion) একটি উত্তম ঔষধ, যাতে ভুয়া প্রসব ব্যথা দেখা দিলে এটি প্রয়োগ করতে হয়। যাদের প্রতিবারই (তৃতীয় মাস, পঞ্চম মাস ইত্যাদি) একটি নির্দিষ্ট সময়ে গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়, তারা সেই নির্দিষ্ট সময়ের একমাস পূর্ব থেকেই অগ্রিম এই ঔষধটি খাওয়া শুরু করতে পারেন। অন্যদিকে ডেলিভারির জন্য খাওয়াবেন পালসেটিলা (Pulsatilla pratensis) নামক Maa-er marer hat theke bachia ek Sishu-ke buker dudh k ঔষধটি। যদি ডেলিভারি ডেট অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ব্যথা না ওঠে অথবা প্রসবব্যথা কম ওঠে অথবা ব্যথা একবার আসে আবার চলে যায়, তবে পালসেটিলা (Pulsatilla pratensis) নামক হোমিও ঔষধটি আধা ঘণ্টা পরপর খাওয়াতে থাকুন। এটি প্রসব ব্যথাকে বাড়িয়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি প্রসব কাজ সমাধা করার ব্যাপারে একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ। এমনকি ডাক্তাররা যদি সিজারিয়ান অপারেশান করার জন্য ছুড়িতে ধার দিতে থাকে, তখনও আপনি পালসেটিলা খাওয়াতে থাকুন। দেখবেন ছুড়ি ধার হওয়ার পূবেই বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হয়ে গেছে। মনে রাখবেন, নরমাল ডেলিভারির কষ্ট থাকে দুয়েক দিন, কিন্তু সিজারিয়ান অপারেশানের কষ্ট দুয়েক বছরেও যায় না। ক্ষেত্রবিশেষে অপারেশানের কষ্ট সারাজীবনই ভোগ করতে হয়। শুধু তাই নয়, সন্তানের পজিশন যদি ঠিক না থাকে, তবে পালসেটিলা তাও ঠিক করতে পারে। শিশুর মাথা যদি উপরের দিকে অথবা ডানে-বামে ঘুরে থাকে, তবে দুয়েক মাত্রা পালসেটিলা খাওয়ালেই দেখবেন শিশুর মাথা ঘুরিয়ে অটোমেটিকভাবে নীচের দিকে নিয়ে এসেছে। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন।


Side Effects:

==========
None known to date. Please note: Existing complaints may temporarily get worse when homoeopathic medicines are taken (initial aggravation). In such cases, a doctor should be consulted and the medication discontinued if necessary.

এই খাবার একেবারেই খাবেন না গর্ভাবস্থায়ঃ
==================================
কাঁচাডিম বা আধা সিদ্ধডিম, পনির, আঙ্গুর (আঙ্গুর আপনার পাকস্থলী গরম করে ডায়রিয়ার মত রোগ হতে পারে তাই কম পরিমান খেতে হবে), কফি, এলকোহল সমৃদ্ধ খাবার যেমনঃ কোকাকোলা, স্প্রাইট, সেভেনআপ ইত্যাদি।, যে সকল খাবারে এলকোহল থাকে, কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে, সজনে, অঙ্কুরিত সবুজ আলু, আনারস, আদা, অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী, কাঁচা বা আধা সিদ্ধ মাংস, কনফেকশনারীর প্যাকেটজাত খাবার যেগুলোতে ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আছে, এমন কি প্যাকট জাত মাংসের খাবার যেমন সসেজ, সালামি, পেপারনি, অপ্রাস্তুরিত ফলের রস, কাঁচা দুধ অথবা কাঁচা দুধের তৈরি খাবার, দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা খাবার, ফ্রিজে রাখা সামুদ্রিক খাবার, প্রাণীর যকৃত, মেয়াদ উত্তির্ণ খাবার। ১৪৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় মাছ, মাংস রান্না করতে হবে। দুধ ভালভাবে ফুঁটিয়ে তারপর তা পান করতে হবে।

বিঃদ্রঃ শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় একজন মায়ের ও শিশুর শরীর-স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য ঘুম অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। গর্ভাবস্থায় রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে স্বাস্থ্যহানী ঘটে। প্রতিদিন দুপুরের খাবারের পর আসর পর্যন্ত ঘুুমোতে হবে। এতে ‘কাইলুলাহ্’র সুুন্নাত আদায় হবে। স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।
******************************** x *******************************

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ জেনে রাখা ভাল যারা হাসপাতালে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা করবেন তাদের জন্যঃ

সাড়ে ৬ কেজি ওজনের শিশুও ব্যথানাশক ছাড়া জন্ম দেওয়া যায়ঃ
--------------------------------------------------------------------------------
সন্তান প্রসবের সময় ব্যথা না হওয়ার জন্য অনেক নারীই ইপিডুরাল অ্যানেসথেসিয়া নিয়ে থাকেন। এটি একটি স্পর্শকাতর আবেগীয় বিষয়। মানুষের ভীতিটাও একটা ব্যথা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এক মা তার সন্তান জন্মদানের জন্য কোনো ব্যথানাশক ব্যবহার না করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং তিনি জানতেন তার শিশুটি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড়। তবুও তিনি মাতৃত্বের আসল স্বাদ পেতে ঝুঁকি নিয়েছিলেন এবং সুস্থ শিশুর জন্ম দেন।

স্তন থেকে এমনি এমনি দুধ বের হয়ঃ
---------------------------------------------
গর্ভাবস্থায় এবং নতুন মায়ের স্তন থেকে শিশুর কান্নার শব্দ পেলেই এমনি এমনি দুধ বের হতে শুরু করে। হোক সে নিজের শিশুর কান্না বা পরের। কান্নার শব্দ গর্ভবতী বা নতুন মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ ঘটায় যা দুধ উৎপাদন তরান্বিত করে। এই হরমোনটি শিশুকে স্তন্যদানের সময় নিঃসরণ স্বাভাবিক হলেও শিশুর কথা ভাবা, এমনকি ছবি দেখলেও নিঃসরিত হয়। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে দুধ বের হলে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই।

অ্যালোপ্যাথিক ডাক্তার আপনাকে কি উপদেশ দিতে পারে?

দেশে প্রথমবারের মতো ব্যথামুক্ত সন্তান প্রসবঃ
---------------------------------------------------------
চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেছে রাজধানীর বেসরকারি ইমপালস হাসপাতাল। বর্তমানে বিশ্বে ইপিডুরাল পদ্ধতিতে ব্যথামুক্ত সন্তান প্রসব করা হয়। এই চিকিৎসাসেবা পেতে খরচ পড়বে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। কি কি পদ্ধতিতে ব্যথা কমানো যায় তা উল্লেখ করে অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান খন্দকার লাইজু বলেন, পুরনো পদ্ধতিতে মনোযোগ ও শাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম, ইয়োগা, ম্যাসেজ, হিটিং প্যাড, ওয়ার্ম বাথ ও টেন্স। আধুনিক পদ্ধতিতে গ্যাস/ ভ্যাপার মাস্ক এর সাহায্যে প্রয়োগ, শিরা ওষুধ প্রয়োগ ও ইপিডুরাল/স্পইনাল পদ্ধতি। গত ২৩ বছরে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে এক হাজারের বেশি ব্যথামুক্ত ডেলিভারি করানো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি। এতে ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা ছাড়াই নরমাল ডেলিভারি হয়েছে।

ইপিডুরাল কি?
------------------
ইপিডুরাল একধরনের স্বাভাবিক প্রসব। এতে সবকিছুই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রেখেই সন্তান প্রসব করানো হয়। কোনো সিজার বা অস্ত্রোপ্রচারের দরকার পড়ে না। তবে অন্যান্য স্বাভাবিক প্রসবে মায়ের যে ব্যথা হয়, এখানে সেই ব্যথা হবে না। মা কোনো ধরনের ব্যথা অনুভব ছাড়াই সন্তান প্রসব করবেন। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে এ্যানেস্থেসিয়া। প্রসবের আগে প্রসূতির শরীরে বিশেষ ব্যবস্থায় বেদনানাশক দেওয়া হয়। বেদনানাশকের প্রভাবে প্রসূতি প্রসবের সময় কোনো ব্যথা অনুভব করেন না। ডাক্তার এক্ষেত্রে একটি ছোট ইনজেকশন কোমরে দেন। এটাকে বলে ইপাডুরাল এ্যানেস্থেসিয়া। এই ইনজেকশান দেওয়ার ফলে রোগী কোনো ধরনের ব্যথা অনুভব করেন না। কিন্তু বাচ্চা স্বাভাবিকভাবে নিচে নামা, স্বাভাবিকভাবে প্রসব হওয়া, এসব ক্ষেত্রে কোনো জটিলতার সৃষ্টি হয় না। এটা একটি লোকাল এ্যানেস্থেসিয়া। কোমরের ওই জায়গাটাতে লোক্যালি কাজ করবে। আর কিছুই না। এই ইনজেকশন দেওয়ার পর রোগী স্বাভাবিক হাঁটা চলা করতে পারবেন। ওয়াশরুমে যেতে পারবেন। তিনি তার সন্তানের মুভমেন্ট বুঝতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে সারাক্ষণ এই রোগীকে মনিটরিংয়ে রাখতে হবে। বাচ্চার হার্টবিট, মায়ের জরায়ুর অবস্থা, জরায়ুর মুখ কেমন খুলে গেল ইত্যাদি দেখা হয়। এছাড়া ইপিডুরাল দেওয়ার ফলে মায়ের ব্লাড প্রেসারসহ অন্যান্য সব দিকগুলো ঠিক আছে কি-না সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হয়।

ব্যথা যখন শুরু হয়ে যায় তখন দুটো পর্যায় থাকে। একটি ল্যাটেন ফেইস, আরেকটি একটিভ ফেইস। ল্যাটেন ফেসে মেরুদণ্ডে ইপিডুরাল স্টেজে একটি ক্যাথেডার দেওয়া হয়। তখন সে নড়াচড়া করতে থাকে। ল্যাটেন ফেসে অল্প অল্প ব্যথা হয়। তখন তার ইন্টারভেনশন দরকার নেই। যখন একটিভ ফেসে যায়, তীব্র ব্যথা হয়ে যায়, ওর মাধ্যমে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয়। ওখানেও রোগী নড়াচড়া করতে পারে। তবে কোনো ব্যথা থাকে না। এরপর একটি ভালো মুহূর্ত আসে যে ব্যথা ছাড়া তার শিশু প্রসব হয়ে যায়। এখানে সিজারিয়ান সেকশন লাগে না, স্বাভাবিক ভেজাইনাল প্রসব যাকে বলা হয়, এটা অনেক দেশে ব্যবস্থাপনা হচ্ছে।

ইপিডুরাল পদ্ধতির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় কি?
-------------------------------------------------------------
ইপিডুরাল একটা লোকাল এ্যানেন্থেসিয়া। সমস্যা যতি কিছু হয়েই থাকে এ্যানেস্থেসিয়াকালে হতে পারে। হয়তো মায়ের ব্লাড প্রেসার ফল করতে পারে। বা এ্যানেন্থেসিয়া দেওয়ার পরও ৯০ ভাগ হয়তো ব্যথা মুক্ত হয়েও ১০ ভাগ ব্যথা করল। এরকম কিছু ব্যথা হতে পারে। (পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জানা নেই)

মাত্র ১০ ভাগ ক্ষেত্রে সিজারের প্রয়োজন হয়ঃ
-------------------------------------------------------
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য বাকি ১০ ভাগের ক্ষেত্রে অন্যান্য যন্ত্রপাতি দরকার হয়েছে। অনেক সময় বলা হয়েছে লেবার পেইন এত যন্ত্রণাদায়ক, যদি কারো দা দিয়ে হাত কেটে ফেলা হয়, সেই ক্ষেত্রে যে অনুভূতি, প্রসবের ব্যথার প্রতিটি পর্যায়ে সেরকম ব্যথার অনুভূতি। তবে আশার বিষয় হলো এখানে একটি ভালো দিক থাকে। কারণ, যখন একটি মা লেবার পেইনে যায়, তার একটি আশা থাকে যে সন্তান হবে। কাজেই সে মেনে নেয়। তবে অসুস্থতা হলে ভিন্ন চিত্র। তাই প্রসবের ব্যথা কষ্টদায়ক হলেও লোকে মেনে নিচ্ছে।

0 comments

0 comments on Bioplasgen® No. 26 for Easy Parturition (নরমাল ডেলিভারীতে সহায়ক)

Make a Comment


  • If you want to buy a product, make a comment with it or else someone else can order it before you. 


EBIZNAS.COM

User since: Aug 31, 2017
See all ads »

+8********Show phone

Similar ads

Go to top
This site uses cookies. By continuing to browse the site, you are agreeing to our use of cookies. Read more about our cookie terms.
Remove